২০২৬ সালের শবে বরাত কত তারিখে


 শবে বরাত কি এটাকে কেনই বা পালন করা হয়ে থাকে আর এ রাতের তে ইবাদত করা কতটা জরুরী এবং রাসুল সাঃ  এই রাতের সম্বন্ধে কি উপদেশ দিয়েছেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে  শবে বরাতের রাত বাদ দিয়ে আর কোন কোন রাত বেশি প্রিয় । 

শবে বরাত অর্থ কি  শবে বরাত একটি ফার্সি শব্দ আর শবে অর্থ হলো রাত্রি  বারাত ভাগ্য  মানে সহজ ভাষায় হল শবে বরাত শব্দের অর্থ ভাগ্য  নির্ধারণের রাত্রি। এটি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে।

পেজ সূচিপত্র:২০২৬ সালের শবে বরাত কত তারিখ

  • ২০২৬ সালের শবে বরাত কত তারিখে
  •  শবে বরাতের গুরুত্বপূর্ণ আমল কি কি
  •  শবে বরাত কেন পালন করা হয় 
  •  এ রাতের গুরুত্ব কতটুকু
  •  শবে বরাত কেন সৃষ্টি হল 
  •  শবে বরাত পালন করা যাবে কি 
  •  এ রাতে নামাজ ও রোজা পালন করার নিয়ম
  •  শবে বরাতের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস 
  •  শবে বরাতের রাতে কবরে কি ঘটে 
  •  শেষ কথা :লেখকের 

২০২৬ সালের শবে বরাত কত তারিখে

 ২০২৬ সালের শবে বরাত কত তারিখে পালন করতে হবে তা আমারা তারিখগুলো লিখে দিলাম  শবে মেরাজ ১৬ই জানুয়ারি শুক্রবার দিবারাত্রিতে পালন করা হবে।। শবেই বারাত ৪ই ফেব্রুয়ারি বুধবার পালন করা হবে ২০২৬ সালে  এ রাত্রিতে ভাগ্য নির্ধারণের রাত বলা হয়। শবেবরাত ফার্সি শব্দ । আর এর অর্থ হল ভাগ্য নির্ধারণের রাত। প্রতিবছর এ রাত্রি মুসলিমরা পালন করে থাকে।

 শবে বরাতের গুরুত্বপূর্ণ আমল কি কি

 হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন বেশি বেশি নফল ইবাদত করো এবং আল্লাহ নৈকট হাসিল করো। আরসুন্না হচ্ছে নফল ইবাদত। বেশি বেশি নকল ইবাদত করতে বলছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন বেশি বেশ নফল ইবাদত করলে আল্লাহ তাআলা অনেক খুশি হয়ে যান। এর ফলে বান্দা যখন দেখে নিজের চোখে দেখে না বরং আল্লাহতালার চোখে দেখে। আবার বান্দা যখন শুনে তখন আল্লাহ তাআলা নিজের কানে শুনি।

 আবার বান্দা যখন কিছু ধরে তখন সেটা আল্লাহ তায়ালার নিজ হাতে ধরে। এর ফলে নফল ইবাদত করা  প্রয়োজন।  এর ফলে আল্লাহ তায়ালা তার নিকটে চলে আসে । এর ফলে কিয়ামতের দিন যখন ফরজে ঘাটতি হবে তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন এ ফেরেশতারা  দেখতো সে নফল ইবাদত করেছে কিনা তখন ফেরেশতারা বলবে  আছে  সে নফল ইবাদত করেছে। এর ফলে ফরজ থেকে যেগুলো ঘাটতি সেগুলো নফল থেকে নিয়ে যুক্ত করে দাও ফরজে।


 এর ফলে নফল ইবাদত করা দরকার। নফল হচ্ছে ওভার টাইম। তাহলে কোরআনের আলোকে আমরা জানলাম আল্লাহর কাছে যেতে হলে শেষ দেয় যেতে হয়। আর সুন্নাহর আলোকে জানলাম আল্লাহর কাছে যেতে হলে নফল ইবাদত করে যেতে হয়। সব থেকে শ্রেষ্ঠ ইবাদত হচ্ছে কোরআনের তেলাওয়াত। সবচাইতে বেশি আল্লাহর কাছে যেতে চাইলে বেশি বেশি কোরআন পড়তে হবে। তাই  এ রাতে বেশি বেশি কোরআন পড়া প্রয়োজন।

 শবে বরাত কেন পালন করা হয় 

শবে বরাত অর্থ কি শবে বরাত একটি ফার্সি শব্দ আর শবে অর্থ হলো রাত্রি বারাত ভাগ্য মানে সহজ ভাষায় হল শবে বরাত শব্দের অর্থ ভাগ্য নির্ধারণের রাত্রি। এটি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে। যেমন ইরান ও আফগানিস্তানে এটি কে নিম সাবান নামে ডাকা হয়ে থাকে। আরবি ভাষা এটিকে নিস সাবান আর আমাদের এই উপমহাদেশের মানুষেরা  এটিকে শবে বরাত বা লাইলাতুল কদর রাত বলা হয়ে থাকে। সেখানে আবার তুর্কি ভাষায় এটিকে বিরাট কাঁন্দিলি বলা হয়। এটি আরবি সাবান মাসের ১৫ তারিখে রাতে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই রাতে এত ফজিলত যে কোন বান্দা সওয়াবের আশাতে ইবাদত করতে শুরু করে। এবং আল্লাহ রব্বুল আলামিনের কাছে পবিত্র নিয়তে গুনাহ থেকে মাফ চাইতে থাকি তাহলে আল্লাহর রাব্বুল আলামিন তাড়াতাড়ি মাফ করে দেন তো এর সঙ্গে জেনে যাব যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে  ফজিলতপূর্ণ রাত কোন গুলো 
  •  একটা হল লাইলাতুল কদর রাত  
  •  ঈদুল ফিতরের রাত বা রমজানের রাত
  •  ঈদুল আযহার রাত বা কুরবানীর রাত 
  •  ১৫ এ শাবানার রাত মানে শবে বরাত রাত
 এ রাত গুলোর কতটুকু বিশেষত রয়েছে  যেমন কোন দেশের সরকার সম্পূর্ণ বছরের বাজেট একটি দিনে পেশ করে থাকে। তেমনি বছরের ১৫ টি কাজের হিসাব নিকাশ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ফেরেশতাদের দিয়ে দেন। তো এখানে কিছু মানুষ এমন ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন যে যা থেকে কোন বিশেষ ইবাদতে রয়েছে কি তাহলে আপনাদের জানিয়ে রাখি যে  এ রাত্রিতে কোন ফরজ  সুন্নত ওয়াজিব ইবাদত নেই। এটি আল্লাহ তা'আলা আদেশ করেছেন। আল্লাহ রব্বুলবলেছেন এই রাতগুলো আমার কাছে অনেক প্রিয়। এ রাতগুলোতে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে থাকে  তাহলে এই রাত্রিগুলো আল্লাহ তা'আলা ইবাদত থেকে পার করতে পারি। তার থেকে উত্তম কাজ আর কি হতে পারে।

 এ রাতের গুরুত্ব কতটুকু

এ রাত গুলোর কতটুকু বিশেষত রয়েছে  যেমন কোন দেশের সরকার সম্পূর্ণ বছরের বাজেট একটি দিনে পেশ করে থাকে। তেমনি বছরের ১৫ টি কাজের হিসাব নিকাশ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ফেরেশতাদের দিয়ে দেন। তো এখানে কিছু মানুষ এমন ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন যে যা থেকে কোন বিশেষ ইবাদতে রয়েছে কি তাহলে আপনাদের জানিয়ে রাখি যে  এ রাত্রিতে কোন ফরজ  সুন্নত ওয়াজিব ইবাদত নেই। এটি আল্লাহ তা'আলা আদেশ করেছেন। আল্লাহ রব্বুলবলেছেন এই রাতগুলো আমার কাছে অনেক প্রিয়। এ রাতগুলোতে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে থাকে  তাহলে এই রাত্রিগুলো আল্লাহ তা'আলা ইবাদত থেকে পার করতে পারি। তার থেকে উত্তম কাজ আর কি হতে পারে।

 যেহেতু এই রাতে কোন ফরজ ও  সুন্নত ইবাদত নেই সেজন্য আমাদের প্রয়োজন হবে নফল ইবাদত বেশি বেশি করা যে সঙ্গে কুরআন তেলাওয়াত ও জিকির করা। কেননা এই রাতে এমন রাত যেখান থেকে আপনার ভাগ্যকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিতে পারে। আর একটি প্রশ্নই  এ রাত্রিকে নির্ধারণ করে এ রাত্রি কে সালাতুল তাজবি করা কি জরুরী  তাহলে এর উত্তর হবে জরুরি নয়। এমনকি আপনাদের জানিয়ে রেখেছি যে এ রাত্রিতে কোন বিশেষ ইবাদত নেই  তাই নফল ইবাদত যতক্ষণ প্রয়োজন সে ততক্ষণ করতে পারে । এটি নফল ইবাদত এবং খুবই ভালো ফজিলতদের রাত বলা হয়। আপনার ইচ্ছা হলে এই নামাজটি পড়তে পারেন। বছরে একবার নয়   এ রাত্রীকে সম্পূর্ণ বছর কয়েকবার পড়া প্রয়োজন ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url