গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে

 

গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে এগুলো জানার কোন উপায় নেই। গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে এটা লিখে অনেকে সাজ দেয় কিন্তু গুগল এ বিষয়ে কিছু জানতে পারে না। কারণ এ বিষয়ে গুগল কিছু জানো না। সে একজন রোবট  তাই সে তার চিন্তাভাবনার মাধ্যমে অনেক প্রশ্ন উত্তর দিতে পারবে। কিন্তু এসব বিষয়ে সে উত্তর দিতে পারবে না । 
গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে
 এটা জানা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ সে রোবট । এটাও মানুষ বলতে পারবে না যে তার কখন বিয়ে হবে। তাই এসব গুগলকে প্রশ্ন করলে সে উত্তর দিতে পারবে না। এটা নির্ধারণ করে স্রষ্টা। কখন কার বিয়ে সেটা গুগল বলতে পারবে না  কারণ সে রোবট।
 গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে এটা কেউ মজার ছলে  প্রশ্ন করে থাকে  এটা জানা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ সে রোবট । এটাও মানুষ বলতে পারবে না যে তার কখন বিয়ে হবে। তাই এসব গুগলকে প্রশ্ন করলে সে উত্তর দিতে পারবে না। এটা নির্ধারণ করে স্রষ্টা। কখন কার বিয়ে সেটা গুগল বলতে পারবে না কারণ সে রোবট। আল্লাহতালা   ৫০০ বছর আগে নির্ধারণ করে রেখেছেন। কার সাথে কখন বিয়ে হবে সেগুলো নির্ধারণ করা আছে। তাই এসব বিষয়ে গুগল কিছু বলতে পারবে না।

দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য কিছু আমল 

বিয়ের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূরা এবং দোয়া রয়েছে যা পড়া যেতে পারে:
সূরাসমূহ:
১. সূরা ইয়াসিন - এটি কুরআনের হৃদয় হিসেবে পরিচিত এবং যেকোনো বৈধ প্রয়োজনে পড়া যায়
২. সূরা তাহা - বিশেষত বিয়ের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়
৩. সূরা মরিয়ম - হযরত মরিয়ম (আ.) এর কাহিনী সম্বলিত এই সূরা পরিবার ও বিয়ের ব্যাপারে বরকতের জন্য পড়া হয়
৪. সূরা আহযাব - এতে বিবাহ সম্পর্কিত আয়াত রয়েছে
৫. সূরা আর-রুম (আয়াত ২১) - এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও দয়ার কথা উল্লেখ আছে
বিশেষ দোয়া:
"রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইউন" (সূরা ফুরকান ২৫:৭৪)নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করা সবচেয়ে ভালো। বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, তাই ইস্তিখারা নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে সঠিক পথনির্দেশনা চাওয়া উচিত। এগুলো করলে দ্রুত বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বিয়ে কবে হবে কোরআন ও হাদিস আমল

 বিয়ে কবে হবে ইসলামী অনুযায়ী কোরআন ও হাদিসের কিছু কথা ইসলামে বিয়ের গুরুত্ব:
কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, "আমি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছি যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও" (সূরা রূম: ২১)। হাদিসে বিয়েকে দ্বীনের অর্ধেক বলা হয়েছে এবং নবী (সা.) বিয়ে করতে উৎসাহিত করেছেন।
গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে
ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রীর সম্মতি, মোহরানা নির্ধারণ, সাক্ষী এবং অভিভাবকের উপস্থিতি প্রয়োজন। তাই আপনার যাকে পছন্দ  আপনাকে যাকে দেখে মনে ভালো লাগবে তাকে বিয়ে করতে পারেন। আপনার সামর্থ থাকলে বিয়ে করতে পারেন। বিয়ে হচ্ছে ফরজ কাজ। কোথায় দ্রুত আপনারা যে না থেকে বাঁচার জন্য বিয়ে করতে পারেন।  আপনার সমর্থ্য অনুযায়ী তাড়াতাড়ি বিয়ে  করা উচিত । যত দ্রুত বিয়ে করবা ততই ভালো।

৪০দিনের মধ্যেই বিয়ে হওয়ার আমল 

বিয়ের জন্য কিছু ইসলামিক আমল যা অনেকে করে থাকেন:
দোয়া ও নামাজ:
  1. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করা
  2. প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করাসালাতুল হাজত (প্রয়োজন পূরণের নামাজ) পড়া
  3. কুরআন তিলাওয়াত
  4. সূরা ইয়াসিন নিয়মিত পাঠ করা
  5. সূরা তাহা পাঠ করা
  6. দুরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়া
সদকা করা - আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী দরিদ্রদের সাহায্য করাপিতা-মাতার খেদমত করা ও তাদের দোয়া নেওয়াইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) বেশি করাগুনাহ থেকে বিরত থাকানির্দিষ্ট ৪০ দিনের কোনো বিশেষ আমল হাদিসে সরাসরি উল্লেখ নেই। তবে ধৈর্য ধরে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখা এবং নিয়মিত দোয়া করা জরুরি। বিয়ে আল্লাহর ইচ্ছায় হয়, তাই তাঁর কাছেই সাহায্য চাওয়া উচিত।সাথে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি - পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বিশ্বস্ত মানুষদের সাথে আলোচনা করা।

লেখকের কথা : কিভাবে বুঝবো আমার বিয়ের বয়স হয়েছে

বিয়েরবয়সহয়েছেকিনাতাবোঝারজন্যকিছুবিষয়বিবেচনাকরতেপারেন:ব্যক্তিগতপ্রস্তুতরআপনিকিমানসিকওআবেগিকভাবেএকজনসঙ্গীরসাথেজীবন কাটানোর জন্য প্রস্তুত দায়িত্ব নেওয়া,সমঝোতাকরা
এবংঅন্যের চাহিদা বোঝার ক্ষমতা আছে কিনা ভাবুন।নিজের এবং পরিবারের ভরণপোষণের জন্য আয়ের একটা স্থিতিশীল উৎস আছে কিনা। পুরোপুরি আর্থিকভাবে সচ্ছল না হলেও মৌলিক দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা থাকা জরুরি।

আপনার শিক্ষা বা ক্যারিয়ারের মূল লক্ষ্যগুলো কি অর্জিত হয়েছে বা পরিকল্পনা স্পষ্ট আছে? অনেকে শিক্ষা শেষ করে একটা স্থিতিশীল অবস্থানে আসার পর বিয়ের কথা ভাবেন।আপনার পরিবার বা সমাজে বিয়ের বয়স নিয়ে কি প্রত্যাশা আছে? তবে শুধু চাপে নয়, নিজের প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি নিজে কি অনুভব করছেন। বিয়ে করার ইচ্ছা, সংসার করার আগ্রহ এবং দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়েছে কিনা।আপনার বয়স কত এবং বর্তমান পরিস্থিতি কেমন তার উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত ভিন্ন হতে পারে। তাড়াহুড়া না করে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো।  

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url